© 2026 Boyos Calculator

Tutorials6 min read

বাংলাদেশে ড্রাইভিং লাইসেন্স করার বয়সসীমা, ফি ও নিয়মাবলি (২০২৬ আপডেট)

বাংলাদেশে ড্রাইভিং লাইসেন্স করার বয়সসীমা, বিআরটিএ (BRTA) ফি, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও অনলাইন আবেদনের সম্পূর্ণ নিয়ম জানুন ২০২৬ সালের আপডেট তথ্যসহ।

https://boyoscalculator.com/image/driving-license-age-limit-and-rules-bangladesh.png

বর্তমান সময়ে নিজের একটি গাড়ি বা মোটরসাইকেল চালানো শুধুমাত্র একটি শখ বা প্রয়োজন নয়, বরং এটি একটি দারুণ লাইফস্টাইল ও ক্যারিয়ারের অংশ। তবে দেশের যেকোনো সরকারি বা পাবলিক রাস্তায় গাড়ি নিয়ে বের হতে হলে আপনার কাছে সবার আগে যা থাকা উচিত, তা হলো একটি বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স (Driving License)। বৈধ লাইসেন্স ছাড়া গাড়ি চালানো যেমন আইনগত অপরাধ, তেমনি এটি সড়ক নিরাপত্তার জন্যও অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (BRTA) দেশের ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদান ও নিয়ন্ত্রণের কাজ করে থাকে। সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে ২০২৬ সালে বিআরটিএ তাদের লাইসেন্স আবেদন প্রক্রিয়া, ফি এবং পরীক্ষা পদ্ধতিতে বেশ কিছু আধুনিক পরিবর্তন এনেছে。 এখন ঘরে বসেই অনলাইনের মাধ্যমে ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদন করা যায় এবং লাইসেন্স কার্ডটি সরাসরি ডাকযোগে বা পোস্ট অফিসের মাধ্যমে আবেদনকারীর ঠিকানায় পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

আপনি যদি ২০২৬ সালে নতুন একটি ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে চান, তবে আবেদন করার আগে এর বয়সসীমা, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, সরকারি ফি এবং সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি বিস্তারিতভাবে জেনে নেওয়া জরুরি। আজকের এই মেগা গাইডে আমরা ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার প্রতিটি খুটিনাটি বিষয় একদম সহজ ভাষায় আলোচনা করব।


ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার প্রধান শর্তাবলি

বাংলাদেশে বিআরটিএ থেকে ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতে হলে আপনাকে মূলত তিনটি মৌলিক শর্ত পূরণ করতে হবে:

  1. শিক্ষাগত যোগ্যতা: ড্রাইভিং লাইসেন্স আবেদনকারীর ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা হতে হবে ৮ম শ্রেণি (Class 8) বা সমমান পাস। অনলাইনে আবেদনের সময় এই শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রমাণপত্র আপলোড করতে হবে।
  1. শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা: আবেদনকারীকে অবশ্যই শারীরিকভাবে সুস্থ এবং মানসিকভাবে সবল হতে হবে। বিশেষ করে দৃষ্টিশক্তি ভালো থাকা এবং কোনো জটিল শারীরিক প্রতিবন্ধকতা না থাকা আবশ্যক।
  1. নির্দিষ্ট বয়সসীমা: লাইসেন্সের ধরণ অনুযায়ী আবেদনকারীর নির্দিষ্ট বয়স পূরণ হতে হবে। নিচে বয়সসীমা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।

ড্রাইভিং লাইসেন্স করার সঠিক বয়সসীমা

বাংলাদেশে মূলত দুই ধরণের ড্রাইভিং লাইসেন্স দেওয়া হয়—অপেশাদার (Amateur) এবং পেশাদার (Professional)। এই দুই ক্যাটাগরির জন্য বিআরটিএ-র নির্ধারিত বয়সসীমা ভিন্ন।

লাইসেন্সের ধরণন্যূনতম বয়সসীমাকার জন্য প্রযোজ্য?
অপেশাদার (Amateur)১৮ বছর (ন্যূনতম)ব্যক্তিগত গাড়ি, মোটরসাইকেল বা হালকা যানবাহন নিজের প্রয়োজনে চালানোর জন্য।
পেশাদার (Professional)২১ বছর (ন্যূনতম)বাস, ট্রাক, ট্যাক্সি, বা যেকোনো বাণিজ্যিক ও পেশাদার গাড়ি চালিয়ে জীবিকা নির্বাহের জন্য।
  • বিশেষ দ্রষ্টব্য: ১৮ বছরের নিচে কোনো নাগরিক কোনোভাবেই ড্রাইভিং লাইসেন্স পাবেন না এবং কোনো পাবলিক প্লেসে গাড়ি বা মোটরসাইকেল চালাতে পারবেন না। একইভাবে, পেশাদার লাইসেন্স নিয়ে চাকরি বা ড্রাইভিং পেশায় যুক্ত হতে হলে বয়স অবশ্যই ২১ বছর পূর্ণ হতে হবে।

আবেদনের আগে বয়স সঠিকভাবে হিসাব করা কেন জরুরি?

বিআরটিএ-র অনলাইন পোর্টালে (BSP) আবেদন করার সময় আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) বা জন্ম নিবন্ধনের ওপর ভিত্তি করে বয়স স্বয়ংক্রিয়ভাবে যাচাই করা হয়। আপনার বয়স যদি ১৮ বছর (অপেশাদারের জন্য) বা ২১ বছর (পেশাদারের জন্য) পূর্ণ হতে একদিনও বাকি থাকে, তবে সিস্টেম আপনার আবেদনটি গ্রহণ করবে না বা পরবর্তীতে তা বাতিল হয়ে যাবে।

তাই আবেদন করার পূর্বে নিজের বয়সটি নিখুঁতভাবে পরীক্ষা করে নেওয়া প্রয়োজন। হাতের কর গুনে বা সাধারণ ক্যালকুলেটর দিয়ে হিসাব করলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। আপনার বয়স ঠিক কত বছর, কত মাস এবং কত দিন হয়েছে তা একদম সেকেন্ডের মধ্যে নির্ভুলভাবে জানতে আপনি ব্যবহার করতে পারেন আমাদের Boyos Calculator

কীভাবে চেক করবেন?

  • প্রথমে Boyos Calculator লিংকে যান।
  • আপনার জন্মতারিখের বক্সে এনআইডি বা জন্ম নিবন্ধন অনুযায়ী দিন, মাস ও বছর নির্বাচন করুন।
  • এরপর হিসাব বাটনে ক্লিক করলেই আপনার বর্তমান বয়স কত তা নিখুঁতভাবে চলে আসবে। নিশ্চিত হয়ে নিন যে আপনি অপেশাদারের জন্য ১৮ বছর এবং পেশাদারের জন্য ২১ বছর পূর্ণ করেছেন কি না।

ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে কী কী কাগজপত্র লাগে?

২০২৬ সালে অনলাইনে ড্রাইভিং লাইসেন্সের প্রাথমিক ধাপ অর্থাৎ লার্নার বা শিক্ষানবিশ লাইসেন্স আবেদনের জন্য নিচের নথিপত্রগুলো প্রস্তুত রাখতে হবে:

  • জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) বা পাসপোর্ট: আবেদনকারীর এনআইডি কার্ডের স্ক্যান কপি (এনআইডি না থাকলে অনলাইন ভেরিফাইড জন্ম নিবন্ধন এবং পাসপোর্টের কপি দিতে হবে)।
  • মেডিকেল সার্টিফিকেট: একজন রেজিস্টার্ড এমবিবিএস (MBBS) ডাক্তার কর্তৃক স্বাক্ষরিত শারীরিক সুস্থতার সনদপত্র বা মেডিকেল সার্টিফিকেট (নির্দিষ্ট ফরমে)।
  • শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ: ন্যূনতম ৮ম শ্রেণি বা জেএসসি পাস করার সার্টিফিকেট বা মার্কশিট।
  • বর্তমান ঠিকানার প্রমাণপত্র: যদি আপনার এনআইডি-র স্থায়ী ঠিকানা এবং বর্তমান ঠিকানা ভিন্ন হয়, তবে বর্তমান ঠিকানার যেকোনো একটি ইউটিলিটি বিলের (গ্যাস, বিদ্যুৎ বা পানির বিল) কপি জমা দিতে হবে।
  • রঙিন ছবি: আবেদনকারীর পাসপোর্ট সাইজের ল্যাব প্রিন্ট ছবি।

২০২৬ সালের ড্রাইভিং লাইসেন্স ফি-র তালিকা (BRTA Fees)

ড্রাইভিং লাইসেন্সের ফি মূলত দুটি ধাপে প্রদান করতে হয়—প্রথমটি লার্নার বা শিক্ষানবিশ লাইসেন্সের জন্য এবং দ্বিতীয়টি পরীক্ষা পাসের পর চূড়ান্ত স্মার্ট কার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য।

১. লার্নার বা শিক্ষানবিশ লাইসেন্স ফি:

  • ১ম ক্যাটাগরি (শুধুমাত্র মোটরসাইকেল অথবা হালকা গাড়ি): ৩৪৫ টাকা।
  • ২য় ক্যাটাগরি (মোটরসাইকেল এবং হালকা গাড়ি একসাথে): ৫১৮ টাকা।

২. চূড়ান্ত স্মার্ট কার্ড লাইসেন্স ফি (পরীক্ষা পাসের পর):

  • অপেশাদার লাইসেন্স ফি (১০ বছরের মেয়াদে): ৪,৪৯৭ টাকা (ভ্যাট ও অন্যান্য চার্জসহ)।
  • পেশাদার লাইসেন্স ফি (৫ বছরের মেয়াদে): ২,৭৭২ টাকা (ভ্যাট ও অন্যান্য চার্জসহ)।
  • ডোপ টেস্ট ফি (শুধুমাত্র পেশাদার চালকদের জন্য): ৯১০ টাকা।

(বিঃদ্রঃ ডাকযোগের মাধ্যমে কার্ড ডেলিভারি পেতে হলে অতিরিক্ত ৬০ টাকা সার্ভিস চার্জ দিতে হতে পারে)


ধাপে ধাপে ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার সহজ নিয়ম

বর্তমানে বিআরটিএ ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার পুরো প্রক্রিয়াটিকে অত্যন্ত সহজ ও ডিজিটাল করেছে। লাইসেন্স হাতে পেতে আপনাকে মূলত ৪টি ধাপ অতিক্রম করতে হবে:

ধাপ ১: লার্নার বা শিক্ষানবিশ লাইসেন্সের জন্য আবেদন

ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার প্রথম এবং প্রধান শর্ত হলো লার্নার লাইসেন্স নেওয়া। এর জন্য প্রথমে আপনাকে বিআরটিএ সার্ভিস পোর্টাল (bsp.brta.gov.bd)-এ গিয়ে একটি অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে। এরপর "শিক্ষানবিশ লাইসেন্সের জন্য আবেদন" অপশনে গিয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য ও কাগজপত্র স্ক্যান করে আপলোড করতে হবে এবং নির্ধারিত ফি অনলাইনে পরিশোধ করতে হবে। পেমেন্ট সফল হলে সাথে সাথেই অনলাইন থেকে লার্নার লাইসেন্সটি প্রিন্ট করে নেওয়া যাবে।

ধাপ ২: ড্রাইভিং পরীক্ষা (পরীক্ষা তিন ধরণের)

লার্নার লাইসেন্স পাওয়ার পর তার গায়ে একটি পরীক্ষার তারিখ ও কেন্দ্রের নাম উল্লেখ করা থাকবে (সাধারণত ২ থেকে ৩ মাস পর পরীক্ষা হয়)। সেই নির্দিষ্ট তারিখে আপনাকে কেন্দ্রে গিয়ে পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। পরীক্ষাটি মূলত ৩টি অংশে বিভক্ত:

  1. লিখিত পরীক্ষা (Written Test): ট্রাফিক আইন, সড়ক সংকেত ও সাইন নিয়ে সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন থাকে।
  2. মৌখিক পরীক্ষা (Viva Test): ট্রাফিক নিয়মাবলি ও সাধারণ জ্ঞান যাচাই করা হয়।
  3. ব্যবহারিক পরীক্ষা (Practical Test): আপনাকে নির্দিষ্ট ট্র্যাকে গাড়ি চালিয়ে এবং সঠিক নিয়মে পার্কিং করে দেখাতে হবে।

ধাপ ৩: বায়োমেট্রিক প্রদান ও ছবি তোলা

আপনি যদি লিখিত, মৌখিক এবং ব্যবহারিক পরীক্ষায় সফলভাবে উত্তীর্ণ হন, তবে আপনাকে চূড়ান্ত স্মার্ট কার্ডের জন্য আবেদন করতে হবে এবং ফি জমা দিতে হবে। এরপর বিআরটিএ সার্কেল অফিসে গিয়ে আঙুলের ছাপ (Fingerprint), চোখের আইরিশ এবং ডিজিটাল ছবি তুলতে হবে।

ধাপ ৪: হোম ডেলিভারি (স্মার্ট কার্ড প্রাপ্তি)

বায়োমেট্রিক দেওয়ার পর বিআরটিএ আপনার কার্ডটি প্রিন্ট করার প্রক্রিয়া শুরু করবে। বর্তমানে আবেদনকারীদের বিআরটিএ অফিসে গিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে কার্ড সংগ্রহ করতে হয় না। পোস্ট অফিসের মাধ্যমে সরাসরি আপনার বর্তমান ঠিকানায় স্মার্ট কার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্সটি হোম ডেলিভারি করা হবে।


পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক

মাদকাসক্ত চালকদের কারণে সড়ক দুর্ঘটনা রোধ করতে বাংলাদেশ সরকার পেশাদার চালকদের জন্য ডোপ টেস্ট (Dope Test) বা মাদক পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করেছে। পেশাদার লাইসেন্স আবেদনকারী বা নবায়নকারীদের যেকোনো সরকারি হাসপাতাল বা ল্যাব থেকে ডোপ টেস্ট করিয়ে তার নেগেটিভ রিপোর্ট বিআরটিএ-তে জমা দিতে হবে। ডোপ টেস্টের রিপোর্ট পজিটিভ আসলে বা মাদকাসক্তির প্রমাণ পাওয়া গেলে কোনো অবস্থাতেই ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদান করা হবে না।


সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)

প্রশ্ন ১: আমি কি ১৮ বছর বয়সের আগে লার্নার লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে পারব? উত্তর: না। অপেশাদার লাইসেন্সের জন্য আবেদনের ন্যূনতম বয়স ১৮ বছর। ১৮ বছর পূর্ণ না হলে সিস্টেম আপনার আবেদন গ্রহণ করবে না।

প্রশ্ন ২: ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতে শিক্ষাগত যোগ্যতা কি বাধ্যতামূলক? উত্তর: হ্যাঁ। আবেদনকারীকে অবশ্যই ন্যূনতম ৮ম শ্রেণি বা সমমান পাস হতে হবে।

প্রশ্ন ৩: মোটরসাইকেল এবং কার (প্রাইভেটকার) লাইসেন্স কি একসাথে করা যায়? উত্তর: হ্যাঁ, লার্নার আবেদনের সময় ২য় ক্যাটাগরি সিলেক্ট করে মোটরসাইকেল ও কার লাইসেন্সের জন্য একসাথে আবেদন করা সম্ভব।

প্রশ্ন ৪: আমার সঠিক বয়স জানতে কোনো সহজ উপায় আছে কি? উত্তর: আপনার ড্রাইভিং লাইসেন্সের যোগ্যতা অর্জনের সঠিক বয়স বের করতে আমাদের Boyos Calculator ব্যবহার করতে পারেন। এটি খুব সহজেই আপনার বয়স দিন, মাস ও বছর আকারে নিখুঁতভাবে প্রদর্শন করবে।


উপসংহার

একটি বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স আপনাকে শুধুমাত্র একজন আইনি চালক হিসেবেই স্বীকৃতি দেয় না, বরং এটি আপনাকে সড়কে একজন দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে। দালালের খপ্পরে না পড়ে বর্তমানের আধুনিক অনলাইন ব্যবস্থার মাধ্যমে নিজে নিজেই লাইসেন্সের আবেদন করুন। আবেদন করার আগে অবশ্যই আপনার প্রয়োজনীয় বয়স পূর্ণ হয়েছে কি না, তা আমাদের বয়স ক্যালকুলেটর দিয়ে নিশ্চিত করে নিন।

নিরাপদে গাড়ি চালান, ট্রাফিক আইন মেনে চলুন এবং সুন্দর ও নিরাপদ বাংলাদেশ গঠনে ভূমিকা রাখুন।


তথ্যসূত্র (References)

  1. বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (BRTA): ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রাপ্তির প্রক্রিয়া এবং বয়সসীমা সংক্রান্ত নির্দেশিকা।

যাচাই করুন: বিআরটিএ অফিসিয়াল পোর্টাল

  1. ঢাকা ট্রিবিউন (Dhaka Tribune): পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য ডোপ টেস্ট বা মাদক পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করার সরকারি সিদ্ধান্ত।

যাচাই করুন: ঢাকা ট্রিবিউন প্রতিবেদন

  1. প্রথম আলো (Prothom Alo): ড্রাইভিং লাইসেন্স এখন ঘরে বসেই ডাকযোগে বা পোস্ট অফিসের মাধ্যমে পাওয়ার নিয়মাবলি।

যাচাই করুন: প্রথম আলো প্রতিবেদন